শিশুদের স্মার্ট এবং আত্মবিশ্বাসী অনলাইন অন্বেষক হতে সাহায্য করা

অনলাইন থাকার সময় বাচ্চাদের আরও ভাল সিদ্ধান্ত নেওয়া শেখাতে এবং তাদের বুদ্ধিমান ও চৌকষ ডিজিটাল নাগরিক হওয়ার ব্যাপারে সাহায্য করতে, আমরা পরামর্শ ও রিসোর্স তৈরি করেছি।

এই পরামর্শ ও রিসোর্সের সাহায্যে অনলাইনে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিন

  • Be Internet Awesome - বাচ্চাদের স্মার্ট ডিজিটাল নাগরিক হয়ে উঠতে সাহায্য করছে

    ইন্টারনেটে থেকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে চাইলে বাচ্চাদের সমস্ত তথ্য জেনে নিয়ে তার পরে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অনলাইন জগতে দৃঢ়তার সাথে বিচরণ করার জন্য এই প্রোগ্রাম বাচ্চাদের একজন ডিজিটাল নাগরিক হয়ে ওঠা এবং অনলাইন সুরক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক শিক্ষা দেয়। বাচ্চারা Interland-এর সাহায্যে ইন্টারনেটে চৌখস হয়ে উঠতে পারে। এটি একটি অনলাইন অ্যাডভেঞ্চার গেম, যাতে চারটি চ্যালেঞ্জিং খেলার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সুরক্ষার মূল বিষয়গুলিকে হাতে-কলমে শেখানো হয়।

    এখনও পর্যন্ত এই প্রোগ্রামটি আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকায় চালু করেছি এবং অন্যান্য মার্কেটেও এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। টিন-এজারদের অনলাইনে স্মার্ট ও সুরক্ষিত করে তুলতে একটি অনলাইন সেফটি রোড শোয়ের অংশ হিসেবে আমরা এই পাঠ্যক্রম সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলিতে চালু করেছি।

সতর্কতার সাথে শেয়ার করুন

ভাল (এবং খারাপ) খবর অনলাইনে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং দূরদর্শিতার অভাবে বাচ্চারা ও ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সীরা এমন পরিস্থিতিতে জড়িয়ে পড়তে পারে যার ফল সুদূরপ্রসারী হয়। উপযুক্ত ব্যক্তির সাথে তাদের সঠিকভাবে শেয়ার করতে শেখানোর জন্য আমরা কিছু পরামর্শ তৈরি করেছি।

  • ডিজিটাল ফুটপ্রিন্টের বিষয়ে তাকে শেখান

    আপনার সন্তানের সাথে বসে আপনার নিজের অথবা তার প্রিয় মিউজিশিয়ানের বিষয়ে অনলাইন সার্চ করুন এবং ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করুন। তবে তার আগে নিজে সার্চ করে দেখে নিতে পারেন। এই ফলাফল থেকে অন্যরা আপনার সম্পর্কে কী জানতে পারে এবং অনলাইনে কীভাবে ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট তৈরি করা হয় সে সম্পর্কে তাকে বলুন।

  • সামাজিক মিডিয়ায় একে অপরের সাথে তুলনা করার প্রবণতা কমিয়ে আনতে সাহায্য করুন

    আপনার সন্তানকে এটি বুঝতে সাহায্য করুন যে তার বন্ধুরা অনলাইনে যা শেয়ার করে তা আসলে তাদের জীবনের একটি অংশ মাত্র। সবাই শুধু ভাল মুহূর্তগুলিই তুলে ধরে। তবে প্রত্যেকের জীবনেই বিরক্তি, দুঃখ বা লজ্জার মুহূর্ত থাকে, যা তারা শেয়ার করে না।

  • কী শেয়ার করা উচিত সেই বিষয়ে পরিবারের মধ্যে নিয়ম তৈরি করুন

    ফটো অথবা ব্যক্তিগত তথ্যের মতো কী কী বিষয় অনলাইনে শেয়ার করা উচিত নয়, সেই সম্পর্কে আপনার পরিবারকে স্পষ্টভাবে জানান। একসঙ্গে কিছু ফটো তুলুন এবং দায়িত্বপূর্ণভাবে শেয়ার করা বলতে কী বোঝায় তা আলোচনা করুন। যেমন, শুধু নিজের না, অন্যদের ফটো শেয়ার করার ক্ষেত্রেও যে অনেক কিছু বিবেচনা করতে হয় তা আপনার সন্তানকে শেখান। শেয়ার করা উচিত কিনা তা বুঝতে না পারলে সে যেন অনুমতি নেয়, তা বলুন।

  • অতিরিক্ত শেয়ার করার বিষয়ে তাদের শেখান

    অতিরিক্ত শেয়ার করা সংক্রান্ত বিভিন্ন খুঁটিনাটি প্রশ্নের সমাধান করুন, যেমন আগে শেয়ার করা কন্টেন্ট সরিয়ে দেওয়া অথবা গোপনীয়তা সেটিংস ঠিক করা। বেশি শেয়ার করা হয়ে থাকলে সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে সাহায্য করুন। এরকম কিছু ক্ষেত্রে হয়ত লজ্জায় পড়তে হয়, তবে অন্যগুলি থেকে শিক্ষা নেওয়া যায়।

নকলের ফাঁদে পা দেবেন না

অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পরিস্থিতির সাথে বাস্তবের যে মিল নাও থাকতে পারে সেই বিষয়ে আপনার সন্তানকে সচেতন করে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। তাকে আসল ও নকলের মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে আপনাকে সাহায্য করার জন্য আমরা একটি উপযোগী নির্দেশিকা তৈরি করেছি।

  • 'ছদ্মবেশিতা' কী তা বুঝিয়ে দিন

    আপনার সন্তানের পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত তথ্য কেউ কেন চাইতে পারে তা তাকে বুঝিয়ে দিন। এই তথ্য ব্যবহার করে অন্য কেউ তার পরিচয় নিয়ে তার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারে, এই বিষয়ে তাকে জানান।

  • ফিশিংয়ের প্রচেষ্টা চিনে নিতে তাদের সাহায্য করুন

    কোনও ব্যক্তি যে আপনার সন্তানকে বিভ্রান্ত করে তার কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য জেনে নিতে পারে, তা সে নাও বুঝতে পারে। তাকে বলুন, কোনও অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে যদি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে কোনও মেসেজ, লিঙ্ক বা ইমেল অথবা সন্দেহজনক অ্যাটাচমেন্ট আসে তাহলে সে যেন আপনাকে জানায়।

  • তাদের স্ক্যাম চিহ্ণিত করতে শেখান

    আপনার সন্তানকে জানান যে কিছু স্ক্যাম দেখে মনে হতে পারে সেগুলি কোনও বন্ধুর কাছ থেকে এসেছে। এমনকি টেক-স্যাভি প্রাপ্তবয়স্করাও এতে বোকা বনে যেতে পারেন! কোনও মেসেজে অসঙ্গতি দেখলে আপনাকে জিজ্ঞেস করতে বলুন। তাদের উদ্বেগে আন্তরিকভাবে সাড়া দিলে তারা আপনাকে আরও বেশি ভরসা করতে শিখবে।

  • কোনও সাইট সুরক্ষিত কিনা, একসাথে তার চিহ্ন খুঁজুন

    একসাথে কোনও ওয়েবসাইটে যান এবং সেটি সুরক্ষিত সাইট কিনা তা বোঝার চিহ্নগুলি খুঁজুন। ইউআরএলের পাশে কি কোনও তালার চিহ্ন দেখা যাচ্ছে অথবা সেটি কি https দিয়ে শুরু হচ্ছে, যা দেখে বোঝা যাবে যে সেটি নিরাপদ? ইউআরএলটি কি সাইটের নামের সাথে মিলছে? কোনও সাইটে পৌঁছানোর পরে তাদের কী কী চিহ্ন দেখা উচিত তা বুঝতে তাদের সাহায্য করুন।

আপনার গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখুন

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা অফলাইনের মত অনলাইনেও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তান তার ডিভাইস, সম্মান ও সম্পর্ককে কোনও ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে কীভাবে তার মূল্যবান তথ্য রক্ষা করবে সেটি বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

  • সহজে ক্র্যাক করা যায় না এমন পাসওয়ার্ড তৈরি করুন

    স্মরণীয় শব্দবন্ধকে কীভাবে শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে পরিণত করা যায় তা তাদের শেখান। অন্তত আটটি মিশ্র-কেস অক্ষর ব্যবহার করুন এবং কতকগুলিকে চিহ্ন ও সংখ্যায় পরিবর্তন করুন। যেমন, “My younger sister is named Ann” সেটি myL$1Nan হয়ে যায়। নিজের ঠিকানা, জন্মদিন, 123456 ও “password”-এর মত পাসওয়ার্ডগুলি কেন দুর্বল এবং যেকোনও ব্যক্তি তা কেন সহজেই অনুমান করে নিতে পারেন তা তাদের বুঝতে সাহায্য করুন।

  • তাদের গোপন তথ্য গোপনই রাখুন

    কী ধরনের তথ্য গোপন রাখা উচিত তা তাদের জানান, যেমন বাড়ির ঠিকানা, পাসওয়ার্ড অথবা স্কুলের নাম। এই ধরনের তথ্য চাওয়া হলে তারা যেন আপনাকে জানায়, তা বলে রাখুন।

  • শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করুন

    কোথাও পাসওয়ার্ড লেখার আগে তাদের দুইবার ভেবে দেখতে বলুন এবং অ্যাপ বা সাইটটি সঠিক কিনা তা ভাল করে পরীক্ষা করতে শেখান। সন্দেহ থাকলে, কিছু লেখার আগে আপনার সাথে তাদের আলোচনা করে নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে, আলাদা অ্যাপ এবং সাইটে ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে তাদের উৎসাহিত করুন। তারা একটি প্রধান পাসওয়ার্ড রাখতে পারে যার সাথে প্রতিটি অ্যাপের জন্য তারা কয়েকটি অক্ষর যোগ করে নিতে পারে।

  • বিভ্রান্তিমূলক আচরণের হাত থেকে বাঁচতে তাকে সাহায্য করুন

    তাকে মনে করিয়ে দিন যে পাসওয়ার্ড গোপন রেখে সে অন্য কাউকে তার অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস করে জাল বা লজ্জাজনক মেসেজ পাঠানো থেকে আটকাতে পারে।

দয়ালু হওয়া প্রশংসার যোগ্য

ইন্টারনেট একটি শক্তিশালী সম্প্রসারক যা ব্যবহার করে ইতিবাচকতা অথবা নেতিবাচকতা ছড়ানো যেতে পারে। “তুমি অন্যের থেকে যেরূপ আচরণ প্রত্যাশা করো তুমি নিজেও অন্যের প্রতি সেরূপ আচরণ করো” এই মতবাদ আপনার সন্তানকে অনলাইনে প্রয়োগ করতে শেখান যাতে সে অন্যের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং গুন্ডামিকে নিরস্ত করে।

  • অনলাইন হয়রানি প্রসঙ্গে আলোচনা করুন

    অনলাইন হয়রানি অথবা অনলাইন টুল ব্যবহার করে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেওয়ার প্রসঙ্গে আপনার সন্তানকে জানান। এরকম কিছু দেখলে বা এই ধরনের অভিজ্ঞতা হলে সে কার কাছে যাবে সেই বিষয়ে পরিকল্পনা করুন। অনলাইনে অনুপযুক্ত আচরণের ব্যাপারে তার বা তার বন্ধুদের কোনও অভিজ্ঞতা হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করুন। এরকম কিছু প্রশ্ন আপনি করতে পারেন: এটি কীভাবে করা হয়েছিল? কেমন লেগেছিল? তোমার কি মনে হয় যে কোনও ঘৃণ্য মন্তব্যের বিষয়ে কাউকে জানিয়ে সেটি বন্ধ করার ক্ষমতা হয়ত তোমার ছিল?

  • আপনার সন্তান যেন পারিবারিক মূল্যবোধ অনলাইনেও মেনে চলে তা নিশ্চিত করুন

    অনলাইনে তারা কী ধরনের আচরণ করবে সে বিষয়ে আপনার প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে তাদের জানান। তারা অন্যদের থেকে যে ধরনের আচরণ প্রত্যাশা করে, নিজেদের ব্যবহারও যেন তেমনই হয় এবং কাউকে সামনা সামনি যা বলা যায়, তার থেকে বেশি কিছু যেন অনলাইনে না বলা হয়, এই শিক্ষা তাদের দিতে হবে।

  • কারও কথার অর্থ বুঝতে তাকে সাহায্য করুন এবং ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে উৎসাহ দিন

    কথা বলার ভঙ্গি সম্পর্কে আলোচনা করুন এবং অনলাইনে কারও কথা ভুল বোঝা কতখানি সহজ তা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে দিন। সে যেন সহজে কারও কথা খারাপভাবে না নেয় এবং কোনও বন্ধুর বক্তব্য বুঝতে অসুবিধা হলে যেন তার সাথে সরাসরি কথা বলে, সেই ব্যাপারে উৎসাহ দিন। অনলাইনে ইতিবাচক মেসেজ পাঠাতে এবং পেতে কত ভাল লাগে সে সম্পর্কে আলোচনা করুন। আপনার নিজের ব্যবহৃত কোনও অ্যাপ একসঙ্গে ব্যবহার করে কাউকে ইতিবাচক মন্তব্য বা মেসেজ পাঠান।

কোনও সন্দেহ হলে, সে বিষয়ে আলোচনা করুন

ডিজিটাল জগতে ঘুরে বেড়ানোর ব্যাপারে একটি শিক্ষা সবসময় প্রযোজ্য: আপনার সন্তান কিছু আপত্তিকর দেখতে পেলে, একজন নির্ভরযোগ্য পরিণত বয়স্ক ব্যক্তির সাথে কথা বলে তার স্বস্তি পাওয়া দরকার। বাড়িতে খোলাখুলি কথা বলার পরিবেশ তৈরি করে আপনি এই ধরণের আচরণকে উৎসাহ দিতে পারেন।

  • অনলাইনে তারা কী করে তা নিয়ে আলোচনা করুন

    আপনার পরিবার কিভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই বিষয়ে আলোচনা করুন। আপনার সন্তান যে অ্যাপ সর্বাধিক ব্যবহার করে সেগুলির বিষয়ে জানার এবং সেগুলি ঘুরে দেখার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করুন। অ্যাপগুলি তারা কীভাবে ব্যবহার করে এবং সেগুলির কোন কন্টেন্ট বা কার্যকারিতা তারা পছন্দ করে তা জানুন।

  • পরে পরিবর্তন করা যেতে পারে, এমন সীমা সেট করুন

    আপনার সন্তানের অ্যাকাউন্টে কন্টেন্ট ফিল্টার ও সময়সীমার মতো নিয়ম সেট করুন এবং সে যত বড় হবে, এগুলিও তার সাথে পাল্টাতে থাকবে বলে তাকে জানান। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেটিংস পরিবর্তন করতে হবে। "সেট করলেন আর ভুলে গেলেন", এমন যেন না হয়।

  • যাদের কাছে সাহায্য চাওয়া যায়, এমন ব্যক্তিদের চিনতে শেখান

    অনলাইনে অস্বস্তিকর কিছু দেখলে তারা সাহায্যের জন্য যাদের কাছে যেতে পারে এমন তিন জন বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করুন। তারা যা দেখেছে তা বোঝা এবং ভবিষ্যতে তারা যেন সেই ধরনের কিছু আর না দেখে তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ব্যক্তিরা সাহায্য করতে পারেন।

  • অনলাইনে যতটুকু সময় ব্যয় করা হচ্ছে তা ভালোভাবে করতে শেখান

    সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করে বা সমস্যা সমাধান করতে শেখায় এমন গেম এবং অ্যাপ ব্যবহার করতে তাদের উৎসাহিত করুন।

আমাদের নিরাপত্তা প্রয়াস সম্পর্কে আরও জানুন

আপনার নিরাপত্তা

ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ মানের নিরাপত্তার সাহায্যে আমরা অনলাইনে আপনাকে সুরক্ষিত রাখি৷

আপনার গোপনীয়তা

আমরা গোপনীয়তার এমন ব্যবস্থা তৈরি করি যা সকলের পক্ষে উপযুক্ত।

পরিবারের জন্য

আপনার পরিবারের জন্য অনলাইনে কী উপযুক্ত তা ম্যানেজ করতে আমরা আপনাকে সাহায্য করি।